![]() |
| ই-গ্লাভসে প্রোটোটাইপ |
হেলথ
এন্ড সেফটি এক্সিকিউটিভ (HSE)-এর মতে বিগত দশকে ‘ভাইব্রেশন
হোয়াইট ফিঙ্গার’ ও ‘কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম’ সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ১০,০০০ জন
মানুষের খোঁজ পাওয়া যায়। এই দুইটি সমস্যার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায় যে যারা
দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কংক্রিট ব্রেকার, স্যান্ডার, গ্রাইন্ডার, ড্রিলিং মেশিনসহ আরো
কতিপয় অত্যধিক শব্দ (বা খুব ভালোভাবে বলতে গেলে ভাইব্রেশন) উৎপাদন করে এমন যন্ত্রসমূহ
ব্যবহার করেছেন তাদের ক্ষেত্রে এই দুইটি সমস্যা বেশি দেখা দেয়।
তো
এই সমস্যা থেকে উত্তোরণের পথ খুঁজতে নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক
একধরনের ইলেক্ট্রনিক গ্লাভস তৈরী করেছে। এই ই-গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর
ব্যবহারের ফলে নির্মাণজনিত কারণে উৎপন্ন ভাইব্রেশন থেকে নির্মাণ শ্রমিকরা রক্ষা পাবে।
গ্লাভসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ক্ষুদ্র একধরণের সেন্সর।
বিশ্ববিদ্যালয়টির
আর্ট এন্ড ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক তিলক ডিয়াস-এর নেতৃত্বে ‘Advanced Textiles Research Group’-এর
একদল গবেষক এই গ্লাভস তৈরী করেছেন। প্রফেসর ডিয়াস বলেন,
“Prolonged use of power tools can result in a variety of musculo-skeletal, neurological and vascular disorders. But by using smart textiles, it could be possible to detect with accuracy when a worker is exposed to damaging levels of vibrations and help prevent such conditions occurring in the first place.”
![]() |
| ভাইব্রেশন সেন্সর |
ই-গ্লাভসে ব্যবহৃত সেন্সরটি মূলত একটি
ভাইব্রেশন শনাক্তকারী সেন্সর। এটি প্রায় ২ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট। এর সাথে
যুক্ত হয়েছে এক্সেলেরোমিটার। সেন্সর ও এক্সেলেরোমিটারকে একসাথে ক্যাপসুলের আকারে
যুক্ত করা হয় যা পরবর্তীতে গ্লাভসের ইয়ার্নের সাথে যুক্ত করা হয়ে থাকে। গ্লাভস পরে কাজ
করার সময় যখন যন্ত্রে মাত্রাতিরিক্ত ভাইব্রেশন উৎপন্ন হয় তখন সেন্সর বিপদজনক ভাইব্রেশন শনাক্ত করে শ্রমিককে সতর্ক
করে দিতে সক্ষম। ফলে শ্রমিক সহজেই কাজ বন্ধ করে দিতে পারে। এতে করে ‘ভাইব্রেশন
হোয়াইট ফিংগার’ বা ‘কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম’-এর মত সমস্যাগুলোকে প্রতিহত করা
সম্ভব।
সংগ্রহেঃ SwaRaz Mollick
মূল লেখাটি পড়তে পারেন এখানেঃ
Innovation in Textile














