Blue শব্দটা আছে বলেই যে চাঁদকে নীল হতে হবে এমন নয়। অর্থাৎ, Blue Moon আসলে ঠিক নীল রঙের নয়। সাধারণত প্রতি মাসে একটি করে পূর্ণচন্দ্র বা পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যায়। কিন্তু কখনো কখনো এক মাসে দুইটি পূর্ণিমাও দেখা যেতে পারে। এই যে মাসের দ্বিতীয় যে পূর্ণিমার চাঁদ (অথবা একই ঋতুর চতুর্থ পূর্ণিমা), একেই বলা হয় Blue Moon। প্রায় প্রতি আড়াই বছর পরপর এরকমটা হয়ে থাকে। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে কখনো নীলচন্দ্র দেখা যাবে না, কারণ প্রতিটি পূর্ণিমার মাঝে প্রায় ২৯.৫ দিনের বিরতি।
.
তো, প্রশ্ন থেকেই যায় যে নীল না হওয়া সত্ত্বেও একে নীলচন্দ্র বলা হবে কেনো। বলতে গেলে ব্যাপারটা কিছুটা ঐতিহাসিক, কাল্পনিক এবং লোকাচারভিত্তিক। প্রায় ষোড়শ শতাব্দীর দিকে ফিলিপ হিসকক নামে একজন লোকতত্ত্ববিদের লেখায় এই শব্দটি পাওয়া যায়। মূলত এই শব্দগুচ্ছ রূপক অর্থে ব্যবহার হত এবং ভালোভাবে বলতে গেলে নেতিবাচক অর্থে। যেমন ‘যেদিন পূর্ণিমার চাঁদ নীল হবে সেদিন তোমায় আমি বিয়ে করবো’ অর্থাৎ চাঁদ কখনো নীলও হবে না, বাকিটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তো, প্রশ্ন থেকেই যায় যে নীল না হওয়া সত্ত্বেও একে নীলচন্দ্র বলা হবে কেনো। বলতে গেলে ব্যাপারটা কিছুটা ঐতিহাসিক, কাল্পনিক এবং লোকাচারভিত্তিক। প্রায় ষোড়শ শতাব্দীর দিকে ফিলিপ হিসকক নামে একজন লোকতত্ত্ববিদের লেখায় এই শব্দটি পাওয়া যায়। মূলত এই শব্দগুচ্ছ রূপক অর্থে ব্যবহার হত এবং ভালোভাবে বলতে গেলে নেতিবাচক অর্থে। যেমন ‘যেদিন পূর্ণিমার চাঁদ নীল হবে সেদিন তোমায় আমি বিয়ে করবো’ অর্থাৎ চাঁদ কখনো নীলও হবে না, বাকিটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

.
পরে ক্রমে ক্রমে এটি হঠাৎ করেই সত্যিকারের চাঁদের সাথে জড়িয়ে পড়ে। যদিও চাঁদের বর্ণ পরিবর্তন হয় না আদতে। তবে চাঁদের এমন নামকরণের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজতে গেলে দেখা যায় ১৮৮৩ সালে যখন কারাকোটাও আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে তখন বাতাসের ধূলিকণা একরকম আলোক ফিল্টার হিসেবে কাজ করেছিলো যে কারণে সূর্যাস্ত সবুজ রঙের এবং চাঁদের আলো নীল রঙের মনে হয়েছিলো। দাবানল কিংবা ধূলিঝড়ের কারণেও এরকমটা হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে এই নীলচন্দ্রের রঙ বিবর্ণ ধূসর ও সাদা, কিন্তু কখনো নীল নয়।
পরে ক্রমে ক্রমে এটি হঠাৎ করেই সত্যিকারের চাঁদের সাথে জড়িয়ে পড়ে। যদিও চাঁদের বর্ণ পরিবর্তন হয় না আদতে। তবে চাঁদের এমন নামকরণের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজতে গেলে দেখা যায় ১৮৮৩ সালে যখন কারাকোটাও আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে তখন বাতাসের ধূলিকণা একরকম আলোক ফিল্টার হিসেবে কাজ করেছিলো যে কারণে সূর্যাস্ত সবুজ রঙের এবং চাঁদের আলো নীল রঙের মনে হয়েছিলো। দাবানল কিংবা ধূলিঝড়ের কারণেও এরকমটা হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে এই নীলচন্দ্রের রঙ বিবর্ণ ধূসর ও সাদা, কিন্তু কখনো নীল নয়।


0 comments:
Post a Comment